[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 128 বার ]
Category : General,
প্রসংগ - ইমাম সাহেবদের বেতন
ইমাম সাহেবদের কম বেতন দেয়া হয়, এরপরেও ইমাম সাহেবরা এই বেতনেই ইমামতি করেন।
ইমাম সাহেবদের বেতন কম দেয়া হয় কেন?
তাবুও কেন চাকরি ছেড়ে দেন না?
ইমাম সাহেবও তার আয়ের জন্য দায়ী
আমাদের এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেবের বেতন ২৫ হাজার। পাশাপাশি তিনি ছেলেদের মাদ্রাসার দায়িত্বে আছেন, সেখানে আরো কিছু যোগ হয়।
পাশাপাশি তিনি আরেকটি ব্যক্তিগত মহিলা মাদ্রাসা করেছেন, সেখানে প্রায় লাখ খানেক মত আয় আছে। গড়ে দেড় লাখ টাকা আয়। যে মাসে কম সে মাসেও ১ লাখ। রোজার মাসে ৫০ হাজার টাকা তারাবী হাদিয়া দেয়া হয়।
এদিকে, আমাদের একই মসজিদের মুয়াজ্জিন এর বেতন মাত্র ৭ হাজার।
আবার গ্রামের বাড়ির ইমাম সাহেবের বেতন মাত্র ২ হাজার।
আবার ঢাকায় বেশিরভাগ মসজিদের জুম্মা খতিবের বেতন নূন্যতম, ২৫ থেকে লাখ টাকা। মানে ৪ জুম্মা নামায পড়িয়ে এই টাকা পেয়ে থাকেন।
ঢাকা মিরপুরে আমার পরিচিত তিন খতিব আছেন, একজন ৩০, একজন ২৫, একজন ৪০ হাজার পেতেন আরো ১০ বছর আগের কথা।
এবার, আপনার যুক্তি খন্ডন করি।
স্থান ভেদে ইমাম সাহেবদের বেতন ৫০০ টাকাও আছে চর অঞ্চলে, আবার শহরে লাখ টাকা আছে।
এখন আমার গ্রামের সেই ইমাম সাহেব কিন্তু ২০০০ টাকায় সংসার চালাতে পারেন না। বাধ্য হয়েই অন্য কাজে যুক্ত থাকেন।
যে সকল ইমাম সাহেব মসজিদের বেতন এর উপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজে অন্য কোন ব্যবসা বা কাজে যুক্ত আছেন, তাদের সকলেই মাসে লাখ টাকার উপরে আয় আছেন।
এখানে, একটা কথা জানতে চাই, ইমাম সাহেব যদি মসজিদে ইমামতি না করতেন, তাহলে তিনি তার নামাজ আদায় করতেন কি না?
যদি করে থাকেন, তাহলে, ইমাম সাহেবের উচিত এটাকে আয়ের উৎস না বানিয়ে, বরং ইমামতির আয়কে বাড়তি আয় হিসেবে গণ্য করে। নিজেকে অন্য কোন কাজে নিযুক্ত রাখা।
নিজ গুষ্টিতে দ্বীনের খেদমতের লোকজন থাকায়, এই তথ্যগুলো আমি জেনেই এখানে বললাম।
এখানে সবথেকে বড় কথা হল, ইমাম সাহেবদের এই বেতন নির্ধারণ হয়, তাদের যোগ্যতায়। আমার গ্রামের ইমাম সাহেব হলেন কানার দেশের একচোখা রাজা। তাকে ঢাকা শহরে খাদেম এর কাজেও রাখা হবে না। কারণ, ঢাকায়, খাদেম হতে গেলেও কোরানে হাফেজ থাকতে হয়। তাই তার বেতন ২০০০/- টাকা।
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp