রোগী-চিত্র কি? ঔষধ-চিত্র বা ড্রাগ-পিকচার কি?

[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 47 বার ]

Category : Homeopathy,


রোগী-চিত্র কি?
ঔষধ-চিত্র বা ড্রাগ-পিকচার কি?

++++++++++++++++++

রোগীর কষ্টকর লক্ষণ
মানসিক অবস্থা
কষ্টের কারণ
কষ্টের বৃদ্ধি
কষ্টের উপশম
পরিবেশের সাথে সম্পর্ক
পারবারিক বা বংশগত ইতিহাসের প্রভাব
রোগীর আচার আচরণ
পছন্দ, অপছন্দ
ইচ্ছা, অনিচ্ছা
ইত্যাদি আরো বেশ কিছু পয়েন্ট,
সুশৃংখলভাবে লিপিবদ্ধ করলে, রোগীর যে চিত্র পাওয়া যায়, তাকে বলে রোগী-চিত্র।

যে কোন রেমেডি প্রুভিং এর সময় প্রুভার এর দেহে,
কষ্টকর লক্ষণ
মানসিক অবস্থা
কষ্টের কারণ
কষ্টের বৃদ্ধি
কষ্টের উপশম
পরিবেশের সাথে সম্পর্ক
রোগীর আচার আচরণ
পছন্দ, অপছন্দ
ইচ্ছা, অনিচ্ছা
ইত্যাদি আরো বেশ কিছু পয়েন্ট,
প্রকাশ পায়, এদেরকে সুশৃংখলভাবে লিপিবদ্ধ করলে, ঔষধের যে চিত্র পাওয়া যায় তাকে ঔষধ-চিত্র বা ড্রাগ-পিকচার বলে।

++++++++++++

সুনির্দিষ্ট সুশৃঙ্খল নিয়মে রোগীলিপি করে, রোগীর তথ্য সমূহ হতে সম সম বৈশিষ্ট্য সমূহকে কোন ঔষধের সম সম বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল করে, রোগী-চিত্রকে ঔষধ চিত্রের সাথে মিলিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট ঔষধ নির্বাচন করার পদ্ধতি হল, ড্রাগ-পিকচার মেথড।
এটাই হ্যানিম্যানের ঔষধ নির্বাচন করার মেথড।

এই মেথডে যত সুক্ষভাবে রোগী তথ্য সংগ্রহ করা যাবে, তত একুরেসির সাথে ঔষধ নির্বাচন করা যাবে।
এই মেথডের জটিলতা হল, চিকিৎসক কে ঔষধ-চিত্রের বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি, কোন রোগে রোগীর দেহে কি কি বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায়, সে সম্পর্কে জানতে হবে। মানে রোগ ও রোগ প্রকাশের বৈশিষ্ট্য জানতে হবে।

যেমন একজন কোষ্ঠবদ্ধতা রোগীর চিকিৎসা করতে হলে, চিকিৎসক কে কোষ্ঠবদ্ধতা ও এর বৈশিষ্ট্য সমূহ জানতে হবে।
কোষ্ঠবদ্ধতা থাকলে রোগীর মাথাব্যথা, খিটখিটে মেজাজ, অক্ষুধা, মল এর আকার আকৃতি প্রকৃতি, মল বের হয় বা ভিতরে চলে যায়, পানি পিপাসা, ইত্যাদি আরো অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য জানতে হবে।

জ্বরের রোগী হতে জানতে হবে, জ্বর কখন কিভাবে আসে, জ্বরে শারীরিক মানসিক কি কি পরিবর্তন আসে। পিপাসা থাকে কি না। শরীর ব্যথা হয় কিনা।
ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য জানতে হবে।

এই সকল বৈশিষ্ট্য আবার একেক রোগীতে একেক রকম। তেমনি একেক ঔষধে একেকরকম।

+++++++++++++++++

এবার আসেন চিকিৎসা প্রসেস,

কোষ্ঠবদ্ধতা রোগী এলোপ্যাথি চিকিৎসক এর কাছে গেলে, তিনি সকল রোগীকে ল্যাক্সেনা ট্যাবলেট দিবে। এটা ফিক্সড মেডিসিন। এখানে রোগী যেই হোক একই ঔষধ। এখানে মূলত রোগের চিকিৎসা করা হয়।
এজন্য এলোপ্যাথি হল স্ট্যাটিক চিকিৎসা ব্যবস্থা।

এই ধরনের রোগী হোমিওপ্যাথি তে আসলে, লক্ষণভেদে একেক রোগীকে একেক ঔষধ দেয়া হবে। এজন্য বলা হয়, এখানে রোগ নয় রোগীর চিকিৎসা করা হয়। এখানে ফিক্সড ঔষধ নাই। তাই হোমিওপ্যাথি হল ডায়নামিক চিকিৎসা ব্যবস্থা।

তাহলে, কি বুঝা গেল, এলোপ্যাথি চিকিৎসক কোন রোগের চিকিৎসা করতে ঔষধের নাম মুখস্ত থাকলেই চলে। এরপরেও তারা রোগ বিজ্ঞানে অত্যন্ত দক্ষতা অর্জন করেন, নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ার জন্য।

অপরদিকে, একজন হোমিও চিকিৎসক কে রোগীর দেহে কোন রোগে কি কি বৈশিষ্ট্য দেখা দেয় সে সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হয়। পাশাপাশি কোন কোন লক্ষণে কোন ঔষধ এটাও জানতে হয়।

সুতরাং পরিশ্রম বেশি হয়, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এর।

এবার আসেন, আসল কথায়, রোগীর দেহের লক্ষণ পাবেন কোথায়, আসমান হতে নাযিল হবে না।
লক্ষণ সম্পর্কে জানতে হলে, কোন রোগে কি কি লক্ষণ প্রকাশ পায়, সেটা জানতে হবে। মানে রোগ বিজ্ঞান জানতে হবে।

মোটকথা, একজন হোমিও চিকিৎসক কে শুধু মেটেরিয়া বা রেপার্টরী জানলেই হবে না। রোগ ও রোগের প্রকাশিত লক্ষণ সম্পর্কে খুব ভালোভাবে জানতে হবে, যদি সত্যিই আপনি ড্রাগ-পিকচার ম্যাচিং করতে চান।

বৃটিশ আমলে, ইংরেজি কে খ্রিস্টানদের ভাষা বলে, মুসলমানেরা পিছিয়ে গিয়েছিল।
ঠিক একইভাবে, রোগ ও প্যাথলজিক্যাল জ্ঞানকে এলোপ্যাথি সম্পত্তি মনে করে, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক পিছিয়ে আছে।

খুব ভালো করে ভেবে দেখেন। রোগ, রোগী, প্যাথলজি - এই ৩ টা যে কোন চিকিৎসা ব্যবস্থার আশ্রয়। মানে এই ৩ টাকে ঘিরে একটা চিকিৎসা ব্যবস্থা ডেভেলপ হয়।
আর চিকিৎসা যার যার ব্যবস্থা অনুসারে দেয়া হয়।
সুতরাং এটাকে এলোপ্যাথির সম্পত্তি মনে না করে, রোগবিজ্ঞান ও প্যাথলজি বিজ্ঞানে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক কে দক্ষ হতে হবে। যে যত দক্ষ হবে, সে তত ভাল লক্ষণ আয়ত্বে আনতে পারবে। আর ততই ড্রাগ-পিকচার ম্যাচ করতে পারবে।

+++++++++++

# আমি কিভাবে চিকিৎসা দেই?

আমার চেম্বারে, রোগী আসলে, আগের চিকিৎসার যাবতীয় রিপোর্ট প্রেস্ক্রিপশন ঔষধ আমি দেখে নিই।
প্রয়োজনে কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দিই।
রিপোর্ট এনালাইস করে সেখান থেকে লক্ষণ বের করে নিই।
আমি এলোপ্যাথি ঔষধ ও রোগ বিজ্ঞানের বইগুলো পড়ে শেষ করেছিলাম ১৯৯৮-২০০০ সাল এই সময়ে।
যার কারণে হোমিওপ্যাথি আয়ত্বে আনা সহজ হয়েছিল।

আমাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকগণ একটা কথা মনে রাখে না যে, হ্যানিম্যান একজন উচ্চশিক্ষিত এলোপ্যাথি চিকিৎসক ছিলেন বিধায়। রোগ ও রোগের লক্ষণ নিয়ে তাকে অন্ধকারে হাতড়াতে হয় নি।

অপরদিকে, আমাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক রোগবিজ্ঞান ও প্যাথলজি বিজ্ঞান বাদ দিয়ে শুধু লক্ষণ নিয়ে দৌড়ানোর কারণে, লক্ষণগুলোকে সেট করতে পারে না। মানে ম্যাচিং করতে পারে না।

*** এবার সিদ্ধান্ত আপনার লেখাপড়া করবেন নাকি চটিবই আর গরুদের পিছনে ছুটবেন।

যাই হোক ড্রাগ-পিকচার মেথড হল, হ্যানিম্যানের ঔষধ নির্বাচন করার মেথড।

অন্যান্য আংগিক লক্ষণের সাথে মনের লক্ষনের সমন্বয়ে রোগীর মধ্যে হোমিওপ্যাথি কোন রেমেডির সাথে মিল রেখে যে ছবি ফুটে উঠে, এটাকে উক্ত রেমেডির ড্রাগ-পিকচার বলে।

বিদ্রঃ আজ মেরুদন্ডের ৯টি হাড় ক্ষয় এর একজন রোগী দেখেছি। সময় লেগেছে ২ ঘন্টা।

+++++++++++++++++++
লেখক -

হোমিওপ্যাথ ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন মাসুদ
( ফুলটাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ রিসার্চার রাইটার )
অব্যর্থ হোমিও
সুফিয়া বেকারি মোড়
দক্ষিণ রাজাশন
সাভার, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৭১১-২০১০১৮, 01711201018

আমাকে ফলো করতে পারেনঃ
ফেসবুকে --
https://web.facebook.com/ObarthoHomeo
ওয়েবসাইটে --
https://www.allmedicin.com/obarthohomeo
এমন আরো লিখা পেতে ভিজিট করুন--
https://allmedicin.com/article_am.php






কীভাবে রোগী দেখাবেন ?

অনলাইনে এপয়েন্টমেন্ট, হটসএপে রোগী দেখা, কুরিয়ারে ঔষধ

01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp