[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 52 বার ]
Category : Homeopathy,
স্যার,
আইনের জন্য মানুষ নয়, বরং, মানুষের জন্য আইন।
আমাদের দেশে যখন কোন আইন করে, সেই আইনের আশেপাশে চিন্তা না করেই পাশ করে। আমাদের এমন অনেক পরষ্পর বিরোধী আইন আছে।
তেমনি, আমাদের হোমিওপ্যাথি যে আইন পাশ হয়েছে, এখানে অনেক কিছুই নাই।
যেমন, যারা পাশ করে বের হবে, তাদের দিয়ে সরকার কি করবে?
যারা রেজিষ্ট্রেশন বিহীন প্রবীন চিকিৎসক মেধা, তাদের কি করা হবে?
ইত্যাদি অনেক কিছুই এখানে আনা হয় নাই। এই আইনে অনেক অনেক ফাক রেখে দিয়েছে, যা দিয়ে কেবল হোমিও কলেজগুলো লাভবান হবে। চিকিৎসক দের স্বার্থ তেমন নাই।
এই আইনের সুযোগে ইতিমধ্যে বিভিন্ন কলেজ নানা বাহানায় শিক্ষার্থীদের উপড় খড়গ চালানো শুরু করে দিয়েছে। সেইদিন বেশি দূরে নয়, যেখানে হোমিওপ্যাথি পড়তে গেলে উচ্চবিত্ত হতে হবে। আর এই আইনের চিপায় আটকে পড়ে অনেক মেধাবী ঝরে যাবে। যা ভবিষ্যৎ হোমিওপ্যাথি কে ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট হবে। এমন একটা সময় আসবে, ডিগ্রী ধারী হোমিওপ্যাথ চিকিৎসক থাকবে, কিন্তু মেধাবী প্রবীন চিকিৎসক থাকবে না।
অলরেডি, এখনি দেখা যায়, বহু হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক সারাবছর চেম্বারে রোগী দেখলেও নিজের বা পরিবারের চিকিৎসার জন্য অন্যপ্যাথি নির্ভরশীল। কারণ, সে আসল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বুঝে না। ব্যবসার জন্য চেম্বার করে।
BHMS রা যেমন DHMS শিক্ষকের হাতে প্রশিক্ষণ নিয়ে তাদের অতীত ভুলে গিয়ে এখন DHMS দের নীচু করে দেখে, এখন, ডা: লিখতে পেরে, ডাক্তার সাহেবরা তাদের প্রবীণদের চেম্বার বন্ধ করতে উঠে পড়ে লেগেছে।
কাক কাকের মাংস না খেলেও, হোমিওপ্যাথি রা নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট।
স্যার, শুনেছি টাংগাইলে একজন প্রবীন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক আছেন, ওনার কোন সার্টিফিকেট না থাকলেও, BHMS, DHMS রেজিস্টার্ড চিকিৎসক ওনার চেম্বারে বসে থাকেন, একটু শিখার জন্য।
হুজুগে মাতাল হলে, এ ধরনের প্রবীন মেধাবীদের অসম্মান হবে, এবং আমরা অনেক মেধা হারিয়ে ফেলব। এসকল মেধাবী দের সাথে পাশ করা চিকিৎসক কেবলমাত্র শিশুতুল্য। চরম সত্য কথা হল, হোমিও কলেজের শিক্ষকরা বাস্তবিক হোমিও চিকিৎসা জানেই না, কারন, তারা প্র্যাকটিস রিসার্চ কোনটাই করে না। আমাদের আজকের হোমিওপ্যাথি ডিগ্রীধারী রা কোন না কোনভাবে এই সকল প্রবীণ চিকিৎসক দের থেকে চিকিৎসা কৌশল শিখেই আজকের চেম্বার। কেউ যদি আমার এই কথার বিরোধিতা করে, আমি তার মুখোমুখি হতে চাই।
তাই, এ সকল মেধাবী প্রবীন চিকিৎসক দের বিশেষ কোন শর্ট কোর্সের মাধ্যমে বৈধতা দেয়া জরূরী বলেই আমি মনে করি।
এমন অনেক গ্রাম গঞ্জ আছে, যেখানে পাশ করা।চিকিৎসক নাই। আবার পাশ করা চিকিৎসক দের বড় অংশ চেম্বার করে না বা পার্ট টাইম করে। সে সকল স্থানে, এ সকল চিকিৎসক মানুষকে সেবা দিয়ে আসছে।
ভুয়া বলে ধোয়া না তুলে, বৈধতা দেয়ার ব্যবস্থা করা সময়ের দাবি।
আর আমাদের দেশে, যেটা করা যায়, সাময়িক শর্ট কোর্স এর মাধ্যমে এদেরকে বৈধতা দিয়ে, এরপর শর্ট কোর্স বন্ধ করে দেয়া। যেন পরে কেউ শর্ট কোর্স এর অপব্যবহার করতে না পারে। এ ক্ষেত্রে তাদের বয়স ৫০+ হতে হবে। এর কম হলে, DHMS কোর্স করতে হবে। তা না হলে বাচ্চা ছেলেও শর্ট কোর্স এর সুযোগ নিবে।
পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি চেম্বারে ইউনানি আয়ুর্বেদ সিরাপ এসব না রাখার ব্যাপারে কড়াকড়ি করতে হবে, ফলে অযোগ্য চতুর লোকগুলো এমনিতেই ঝরে যাবে।
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp