
[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 667 বার ]
Category : Kidney, Dr. Jakir Theory,
কিডনি রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে সারমর্ম উপসংহার কি?
দীর্ঘদিন এর কিডনি রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার অভিজ্ঞতা থেকে উপসংহার হল,
১) কিডনির কার্যকর অবস্থা জানার জন্য শুধুমাত্র ক্রিয়েটিনিন একটি ভুল পদ্ধতি। কারণ, কিডনি সমস্যা ছাড়াও আরো অনেক কারণে রক্তের ক্রিয়েটিনিন বাড়তে পারে। আবার কিডনি ড্যামেজ হয়েও ক্রিয়েটিনিন স্বাভাবিক থাকতে পারে। কিডনি ড্যামেজ হলে, ক্রিয়েটিনিন ছাড়াও ইউরিয়া এবং রক্তের আরো কিছু প্যারামিটার বাড়তে থাকে। সেগুলো আমাদের কাছে গোপন রেখে শুধু ক্রিয়েটিনিন এর কথা বলে, চিকিৎসা দীর্ঘায়িত করে পরিশেষে ডায়ালাইসিস এর পর মৃত্যু। এটাই আধুনিক হাসপাতাল ভিত্তিক চিকিৎসা ব্যবসা।
কিডনির কাজ হল রক্ত ফিল্টার করে প্রস্রাব উৎপাদন করা। এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীরের বর্জ্য বের করে দেয়া। বর্জ্যের মধ্যে অন্যতম হল - ক্রিয়েটিনিন, ইউরিয়া, আরো অন্যান্য বর্জ্য।
এদিকে কিডনি ইনফেকশন, ক্ষত , পচন হলে কিডনি প্রস্রাবের সাথে বের করে দেয় - এলবুমেন, প্রোটিন। পাশাপাশি তার বর্জ্য বের করার ক্ষমতা কমে গিয়ে সে ঠিকমত ক্রিয়েটিনিন ইউরিয়া বের করতে পারে না। ফলে রক্তে ক্রিয়েটিনিন ইউরিয়া বেড়ে যায়। তার মানে কিডনি সমস্যা হলে, রক্তের ক্রিয়েটিনিন ইউরিয়া বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রস্রাবের সাথে এলবুমেন প্রোটিন বেরিয়ে যায়। শারিরিক ও কিডনি সক্ষমতার উপর নির্ভর করে রক্তের ক্রিয়েটিনিন ধীরে বা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই।
যাদের সক্ষমতা ভালো - তাদের ক্ষেত্রে - প্রস্রাবের ভয়াবহ রিপোর্ট থাকলেও রক্তে ক্রিয়েটিনিন কম থাকে।
যাদের সক্ষমতা দুর্বল - তাদের ক্ষেত্রে - প্রস্রাবের ভালো রিপোর্ট থাকলেও রক্তে ক্রিয়েটিনিন বেশী থাকে।
সূতরাং কিডনির সার্বিক কর্মদক্ষতা জানতে হলে যা জানতে হবে, তা হল --
S. Creatinine
S. Urea
S. Uric Acid
U. RME
U. ACR
U. PCR
২) কিডনি রোগীদের কিডনি সমস্যা শুরু হয়, এন্টিবায়োটিক ব্যথার ঔষধ সহ নানাবিধ এলোপ্যাথি ঔষধ খেয়ে অথবা, প্রস্রাব ইনফেকশন এর মাধ্যমে, অনেক পরে গিয়ে ক্রিয়েটিনিন বাড়ে। প্রস্রাব ইনফেকশন ধরা পড়ার পর এন্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা নিলে রোগীর প্রস্রাবের জ্বালা কমে গেলেও ভিতরে ভিতরে কিডনি ড্যামেজ চলতে থাকে। পরে যখন ক্রিয়েটিনিন ধরা পড়ে, ততক্ষণে কিডনি বাতিল হয়ে যায়।
৩) তাই, প্রস্রাব ইনফেকশন হলে, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিবেন আপনার কিডনি ১০০% ঠিক হয়ে যাবে। আমার ১০০% সফলতা আছে।
৪) ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধি মানে, আপনার কিডনি ড্যামেজ হবার পাশাপাশি শরীরে পচন বাড়ছে, কোষের ভাংগন বাড়ছে।
৫) ক্রিয়েটিনিন যাই থাকুক, কিডনির অবস্থা জানার জন্য, প্রস্রাব টেস্ট হল নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা।
৬) ক্রিয়েটিনিন বেড়ে গেলে ডায়ালাইসিস করে নিয়ে রোগী বাচানো ছাড়া উপায় নাই। ঘাউরামি করে রোগি বাঁচাতে পারবেন না।
৭) হোমিওপ্যাথি ঔষধ এর মাধ্যমে কিডনি ডেভেলপ হয়, শরীরের কোষের ভাংগন কমিয়ে দেয় । কিডনি প্রচুর ক্রিয়েটিনিন বের করে দেয়। প্রস্রাবের উৎপাদন ও নিষ্কাশন ভালো থাকে। কিডনি প্রস্রাব ব্লক হয় না।
৮) অনেক রোগী হোমিওপ্যাথি ঔষধ খাওয়া কালীন, অন্যান্য সমস্যার জন্য বা কিডনি সমস্যার জন্য অন্য এলোপ্যাথি চিকিৎসক থেকে যখন চিকিৎসা নিচ্ছেন, তারা রোগীদের এন্টিবায়োটিক আর ব্যথানাশক ওষুধ দিচ্ছেন। তখন দ্রুত কিডনি আরো ড্যামেজ হয়ে ক্রিয়েটিনিন আরো বেড়ে যায়, শুধুমাত্র এলোপ্যাথি ঔষধ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে।
৯) যাদের এন্টিবায়োটিক খাওয়া বা অন্য বিশেষ কোন কারণে হঠাৎ করে রক্তে ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যাচ্ছে, তারা অবশ্যই দ্রুত ডায়ালাইসিস করতে হবে, রোগী বাচিয়ে রাখার জন্য। রোগী বেচে থাকলে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। রোগী না থাকলে চিকিৎসা দিবেন কিভাবে? তাই ঘাউরামি করে রোগী মারবেন না। ডায়ালাইসিস দিবেন।
১০) সিভিয়্যার অবস্থায়, কিডনি যে হারে ক্রিয়েটিনিন নিষ্কাশন করে, তার তুলনায় বেশি ক্রিয়েটিনিন ইউরিয়া উৎপাদন হয়, শরীরের কোষ ধ্বংস হয়ে। ফলে,রক্তে ক্রিয়েটিনিন ইউরিয়া দ্রুত বাড়ছে। আবার এই অতিরিক্ত ক্রিয়েটিনিন ইউরিয়া দেহের সুস্থ কোষ গুলো কে ড্যামেজ করে দিচ্ছে। এমন সিভিয়ার অবস্থায়, ( এলোপ্যাথি কোন ঔষধে কাজ করে না ) শুধু হোমিওপ্যাথি ঔষধ খেলে ক্রিয়েটিনিন ইউরিয়া নিয়ন্ত্রণে আসবে না। আবার ঔষধ বন্ধ করে দিলে, কিডনির নিষ্কাশন রেট কমে যাবে, প্রস্রাব ব্লক হয়ে রোগি মারা যাবে।
তাই,
ঔষধ + ডায়ালাইসিস = নিষ্কাশন রেট ঠিক থাকবে, রোগী টিকে থাকবে যতদূর ক্রিয়েটিনিন নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে।
১১) সুতরাং, যারা ডায়ালাইসিস করছেন, তারা ডায়ালাইসিস এর পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি ঔষধ সেবন করে কিডনি ডেভেলপ এর মাধ্যমে, আয়ু বাড়াতে পারবেন। আর যারা হোমিওপ্যাথি ঔষধ খাচ্ছেন, তারা কোন কারণে ক্রিয়েটিনিন বেড়ে গেলে ডায়ালাইসিস করে নিবেন। অনেকে মনে করেন হোমিওপ্যাথি ঔষধ খাচ্ছি, এবার ডায়ালাইসিস বন্ধ করে দিই। এটা ভুল সিদ্ধান্ত। ক্রিয়েটিনিন যখন ৫ এর নীচে আসবে তখন ডায়ালাইসিস বন্ধ করতে পারবেন। আর ক্রিয়েটিনিন ৫ এর বেশী থাকলে, অন্য কোন দিকে চিন্তা না করে ডায়ালাইসিস করে নিবেন এবং রোগির দেহে প্রতি মাসে ১ ব্যাগ করে রক্ত দিবেন, তাহলে আপনার রোগী বেঁচে থাকবে কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই।
মোটকথা,
১. শুধু ডায়ালাইসিস = ডায়ালাইসিস কোন চিকিৎসা নয়, তাই ধীরে ধীরে কিডনি ড্যামেজ চলতে থাকবে।
২. শুধু ডায়ালাইসিস + এন্টিবায়োটিক = দ্রুত কিডনি ড্যামেজ চলতে থাকবে।
৩. শুধু হোমিওপ্যাথি = একিউট রোগীতে দ্রুত আরোগ্য হয়। সিভিয়ার রোগীতে ডায়ালাইসিস প্রযোজ্য হলে ডায়ালাইসিস সহ প্রয়োগ করতে হতে পারে। পরে ধীরে ধীরে ডায়ালাইসিস বন্ধ করা সম্ভব হবে। সিভিয়ার রোগীতে ডায়ালাইসিস ব্যতীত শুধুমাত্র হোমিওপ্যাথি ঔষধ এর উপর নির্ভর করা যাবে না।
৪. ডায়ালাইসিস + হোমিওপ্যাথি = রোগীর সার্বিক উন্নয়ন।
১২) এন্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক এবং যৌনশক্তি বর্ধক ঔষধ পরিহার করে সুস্থ জীবন যাপন করা সম্ভব। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিন। তবে, উপযুক্ত চিকিৎসক আপনাকে খুজে নিতে হবে।
১৩) হোমিওপ্যাথি ঔষধ সেবন করে যখন রোগী নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে, তখন, আর এন্টিবায়োটিক এবং ব্যথার ঔষধ খেতে পারবে না। প্রেসার ও ডায়াবেটিস খাবারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে প্রেসার ও ডায়াবেটিস এর ঔষধ বন্ধ করে দিতে হবে।
১৪। ক্রিয়েটিনিন ভুলে যান, কিডনির আসল টেস্ট হল,
U. ACR, U. PCR, হোমিওপ্যাথি ঔষধে নিয়ন্ত্রণ এমনকি আরোগ্য সম্ভব। আমার সাকসেস এভিডেন্স দেখুন drjakir.com ওয়েবসাইট এ।
১৫। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় কিডনির ACR PCR নিয়ন্ত্রণে থাকবে রোগীর আয়ু বেড়ে যাবে। কারণ, এলোপ্যাথি ও আয়ুর্বেদ চিকিৎসা তে এর কোন ঔষধ আবিষ্কার হয় নাই।
----------------------------------------------------------
এই পোস্টের সমস্ত তথ্য উৎস --
----------------------------------------------------------
১) আমার বিগত দিনের নিরলস নির্ঘুম রিসার্চ,
২) অসংখ্য রোগী দেখার অভিজ্ঞতা,
৩) দীর্ঘদিন অসংখ্য রোগীর রিপোর্ট এনালাইস পর্যবেক্ষণ, রোগীদের আগে/পরের রিপোর্ট এনালাইস।
৪) আন্তর্জাতিক মেডিকেল জার্নাল,
Disclaimer -
এলোপ্যাথি তে CKD এর যে তথ্য রোগীদের দেয়া হয়, তা সম্পূর্ণভাবে ভূল এবং একটা মেডিক্যাল ক্রাইম এর মাধ্যমে রোগীদের ডায়ালাইসিস ও কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করে ব্যবসা চলছে। বাস্তবিক শুরুতে ধরা পড়লে রোগীদের বাচানো যেত কিন্তু সেই ঔষধ এলোপ্যাথি আবিষ্কার করতে পারে নাই। কিন্তু এর ঔষধ আছে হোমিওপ্যাথি তে। আমাদের চিকিৎসক দের গবেষণা না থকায় আমরা পিছিয়ে পড়েছি।
কি ভাবছেন? এটা আমার কথা? আমাকে মিথ্যাবাদি বলবেন? আমাকে পাগল বলবেন?
না, এগুলো আমার কথা নয়, বিশ্বের সকল কিডনি প্রফেসর এর কথা। আজ থেকে অনেক বছর আগে, কিডনি নিয়ে বিস্তারিত পড়াশুনা করতে গিয়ে, কেঁচো খুড়তে অজগর পেয়েছি। আমি মূলত - রোগ বিজ্ঞান, এনাটমি ও ফিজিলজির জন্য - এলোপ্যাথি প্রফেসর দের আর্টিকেল, ভিডিও ও বই পড়ে থাকি। সে অনুসারে আমাদের হোমিওপ্যাথির মেডিসিন এর ক্লিনিক্যাল প্রুভিং করে থাকি। যার কারণে আমার রিসার্চ আমি আমার নিজস্ব ওয়েবসাইটে ওপেন দিয়ে রেখেছি। এগুলো ভুল হলে, এতদিনে এলোপ্যাথি চিকিৎসকরা আমার বিরুদ্ধে লেগে যেত। কিন্তু না, আমি সত্যিটাই তুলে ধরেছি, যা আমাদের দেশে রোগীদের কাছে লুকিয়ে রেখেছে, অথচ এটাই আন্তর্জাতিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের থিওরী। আর এই থিওরী দিয়ে আমি হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রুভিং করছি।
পিজি হাসপাতালের ডা. রাজন স্যার আমার এই আর্টিকেল পড়ে, ওনার কিডনি চিকিৎসা নেন। তিনি নিজেই উল্লেখ করেছেন যে, আমার রিসার্চ আর্টিকেল টি ১০০% সত্য।
( না বুঝে কেউ কোন প্রকার বিরূপ মন্তব্য থেকে দূরে থাকুন। আপনি কোন কিছু না বুঝলে, সরাসরি আমার চেম্বারে দেখা করুন। )
বিদ্রঃ হোমিওপ্যাথি তে কিডনি সুস্থ হয়। আপনার যাবতীয় চিকিৎসা রিপোর্ট নিয়ে যোগাযোগ করুন। আপনার আগের চিকিৎসক পর্যাপ্ত পরীক্ষা না করিয়ে থাকলে প্রয়োজনে আপনাকে কিছু ডায়াগনোসিস পরীক্ষা করতে দেয়া হতে পারে।
#অব্যর্থহোমিও তে আমি হোমিওপ্যাথি নীতিতে কিভাবে কিডনি চিকিৎসা করিঃ
----------------------------------------------------------
১) পূর্ণাঙ্গ রোগীলিপি প্রণয়ন।
২) প্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক টেস্ট রিপোর্ট এনালাইস
৩) এলবুমিন এর ক্ষয় কমানো
৪) ক্রিয়েটিনিন লেভেল কমানো
৫) খাবার চার্ট মেনে চলা।
৬) অন্য কোন রোগ থাকলে তার সমাধান করা।
----------------------------------------------------------
যোগাযোগঃ
----------------------------------------------------------
হোমিওপ্যাথ ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন মাসুদ
( ফুলটাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ রিসার্চার রাইটার )
অব্যর্থ হোমিও
সুফিয়া বেকারি মোড়
দক্ষিণ রাজাশন
সাভার, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৭১১-২০১০১৮, 01711201018
আমাকে ফলো করতে পারেনঃ
ফেসবুকে --
https://web.facebook.com/ObarthoHomeo
ওয়েবসাইটে --
https://www.allmedicin.com/obarthohomeo
এমন আরো লিখা পেতে ভিজিট করুন--
https://allmedicin.com/article_am.php
ইউটিউবে ---
https://youtube.com/@allmedicin6069
--------------------------------------------------------
বিদ্রঃ এই পোস্টটি রিসার্চ অনুসারে নিয়মিত আপডেট হচ্ছে। তাই নিয়মিত চোখ রাখুন।
সর্বশেষ আপডেট 2024-05-29
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp