
[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 54 বার ]
Category : Tuberculosis
Tuberculosis - Part -2 -- Davidson vs Hahnemann and Comparison with Reality.
Pathology and pathogenesis
M. tuberculosis is spread by the inhalation of aerosolised droplet nuclei from other infected patients. Once inhaled, the organisms lodge in the alveoli and initiate the recruitment of macrophages and lymphocytes.
Macrophages undergo transformation into epithelioid and Langhans cells, which aggregate with the lymphocytes to form the classical tuberculous granuloma. Numerous granulomas aggregate to form a primary lesion or ‘Ghon focus’ (a pale yellow, caseous nodule, usually a
few millimetres to 1–2 cm in diameter), which is characteristically situated in the periphery of the lung. Spread of organisms to the hilar lymph nodes is followed by a similar pathological reaction, and the combination of the
primary lesion and regional lymph nodes is referred to as the ‘primary complex of Ranke’. Reparative processes encase the primary complex in a fibrous capsule, limiting the spread of bacilli. If no further complications ensue, this lesion eventually calcifies and is clearly seen on a chest X-ray. Lymphatic or haematogenous spread may occur before containment is established, however, seeding secondary foci in other organs, including
lymph nodes, serous membranes, meninges, bones, liver, kidneys and lungs, which may lie dormant for years. The only clue that infection is
present may be the appearance of a cell-mediated, delayed-type hypersensitivity reaction to tuberculin, demonstrated by tuberculin skin testing or an interferon-gamma release assay (IGRA): so-called latent TB infection (LTBI). If these controlling processes fail, primary progressive disease ensues (Fig. 17.36). The estimated lifetime risk of developing active disease after infection is 10%, with roughly half of this risk occurring in the First 2 years after infection.
#প্যাথলজি এবং প্যাথোজেনেসিস
মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস (M. tuberculosis) অন্য সংক্রমিত রোগী থেকে বায়ুবাহিত ক্ষুদ্র জলকণা (aerosolised droplet nuclei) হাঁচি কাশি ইত্যাদি মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একবার শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করলে, এই জীবাণুগুলো অ্যালভিওলিতে জমা হয় এবং ম্যাক্রোফেজ ও লিম্ফোসাইট নামক কোষগুলোকে একত্রিত করতে শুরু করে।
ম্যাক্রোফেজ কোষগুলো রূপান্তরিত হয়ে এপিথেলিয়য়েড এবং ল্যাঙহান্স কোষে পরিণত হয়, যা লিম্ফোসাইটগুলোর সাথে মিলে যক্ষ্মার বৈশিষ্ট্যপূর্ণ গ্রানুলোমা গঠন করে। অসংখ্য গ্রানুলোমা একত্রিত হয়ে একটি প্রাথমিক ক্ষত বা 'গোন ফোকাস' (Ghon focus) তৈরি করে। এটি সাধারণত ফ্যাকাশে হলুদ রঙের, পনিরের মতো (caseous) একটি ছোটো নডিউল, যা কয়েক মিলিমিটার থেকে ১-২ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে এবং সাধারণত ফুসফুসের বাইরের দিকে অবস্থান করে।
এই জীবাণু যখন হিলার লিম্ফ নোডগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে, সেখানেও একই ধরনের প্যাথলজিক্যাল প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। প্রাথমিক ক্ষত এবং এই লিম্ফ নোডগুলোর সম্মিলিত রূপকে 'র্যাঙ্কের প্রাথমিক কমপ্লেক্স' (primary complex of Ranke) বলা হয়। মেরামত প্রক্রিয়া এই প্রাথমিক কমপ্লেক্সকে একটি তন্তুময় ক্যাপসুলের মধ্যে আবদ্ধ করে ফেলে, যা জীবাণুগুলোর বিস্তার সীমিত করে। যদি এর পরে আর কোনো জটিলতা না হয়, তাহলে এই ক্ষতটি অবশেষে ক্যালসিয়াম জমে শক্ত হয়ে যায় এবং এক্স-রে'তে এটি স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
তবে, এই প্রতিরোধ ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার আগেই জীবাণু লিম্ফ্যাটিক বা রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর ফলে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে (যেমন লিম্ফ নোড, সেরাস মেমব্রেন, মেনিনজেস, হাড়, যকৃৎ, কিডনি এবং ফুসফুস) গৌণ সংক্রমণ (secondary foci) তৈরি হতে পারে, যা বছরের পর বছর সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে। সংক্রমণের একমাত্র লক্ষণ হতে পারে যক্ষ্মার বিরুদ্ধে শরীরের কোষ-নির্ভর, বিলম্বিত-ধরনের অতিসংবেদনশীলতা প্রতিক্রিয়া (cell-mediated, delayed-type hypersensitivity reaction), যা টিউবারকুলিন স্কিন টেস্ট বা ইন্টারফেরন-গামা রিলিজ অ্যাসে (IGRA) দ্বারা শনাক্ত করা যায়। একে সুপ্ত টিবি সংক্রমণ (latent TB infection - LTBI) বলা হয়।
যদি এই নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়াগুলো ব্যর্থ হয়, তাহলে প্রাথমিক রোগটি প্রগতিশীল রূপ ধারণ করে। সংক্রমণের পরে সক্রিয় রোগে আক্রান্ত হওয়ার আজীবন ঝুঁকি প্রায় ১০%, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক ঝুঁকি সংক্রমণের প্রথম ২ বছরের মধ্যে ঘটে থাকে।
সামারি -
১) যক্ষা আক্রান্ত রোগী থেকে বায়ু বাহিত হয়ে সুস্থ দেহে আক্রমণ করে সংক্রমিত হয়।
২) এর জীবাণু সমস্ত দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
৩) আক্রান্ত দেহে সুপ্ত অবস্থায় লুকিয়ে থাকতে পারে, বছরের পর বছর। পরবর্তীতে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি প্রায় ১০% এর মধ্যে ৫% আক্রান্ত হয় ২ বছরের মধ্যে।
৩) আক্রান্ত হবার জন্য সরাসরি জীবাণু কে দায়ী করা হয়।
৪) জীবাণু ভিত্তিক তাই, উচ্চশক্তিসম্পন্ন এন্টিবায়োটিক এবং ক্যামোথেরাপি, রেডিওথেরাপি দিয়ে চিকিৎসা হয়।
৫) আরোগ্যের হার - এর ব্যাপারে তথ্য নাই, এটা হিডেন সিক্রেট। সংক্ষেপে বললে, আরোগ্য হয় না।
তথ্যসূত্র - ডেভিডসন, মডার্ণ চিকিৎসা গুরু। ২০২৪ইং
#হ্যানিম্যান থিওরি ---
১) বংশগতভাবে পূর্বপুরুষ থেকে অর্জিত হয়ে দেহে সুপ্তভাবে লুকিয়ে অবস্থান করতে পারে। তার জীবদ্দশায় উপযুক্ত পরিবেশ পেলে প্রকাশ পাবে, অন্যথায় সুপ্ত অবস্থায় থেকে যাবে। উপযুক্ত পরিবেশ বলতে রোগীর জীবনীশক্তি শক্তি, দুর্বলতা, বিরূপ প্রাকৃতিক পরিবেশ, অন্য কোন রোগের সংক্রমণ।
২) যেহেতু জেনেটিক রোগ সেহেতু রোগীর দেহে প্রকাশ হোক বা সুপ্ত হোক, রোগী নিজে সাদৃশ লক্ষণে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ না হলে, তার পরবর্তী প্রজন্ম তার থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে অর্জন করবে। এভাবেই, প্রজন্ম ধরে প্রবাহিত হবে।
৩) আক্রান্ত হবার জন্য, টিউবারকুলার নামক মায়াজমকে দায়ী করা হয়।
৪) যেহেতু ক্রোণিক ডেজিজ, সেহেতু একিউট সিম্পটম এর পাশাপাশি ক্রোণিক মায়াজম ভিত্তিক চিকিৎসায় রোগী সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করে এবং পরবর্তী প্রজন্ম রেহাই পায়।
তথ্যসূত্র - হ্যানিম্যান, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা আবিষ্কারক, ১৮১০ সাল।
#ব্যবচ্ছেদ টীকা -
যে বিষয় ২০২৪ সালে এসে মডার্ণ সাইন্স এখনো সুরাহা করে চিকিৎসা দিতে পারছে না। ২১৫ বছর আগেই, হ্যানিম্যান ১৮১০ সালে অর্গানন নামক বইয়ে বিশ্লেষণ করে গেছেন। তাই, ডেভিডসন এর সূত্র দিয়ে অর্গানন এর ব্যাখ্যা করতে গেলে ব্যাপারটা এমন যে, নাতি দাদাকে শিখাচ্ছে, হাউ টু.... আমাদের অনেক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এলোপ্যাথি সূত্র দেখে বলছেন, হোমিওপ্যাথি তে চিকিৎসা নাই। আপনারা আগে অর্গানন পড়েন, সে অনুসারে চেষ্টা করেন। অর্গাননে, অসাধ্য ব্যাধি আছে৷ সেটা আরোগ্য হবে না ঠিকই কিন্তু যেখানে চিকিৎসা নাই সেখানে রোগীকে উপশম দেয়া যায়, এটাই অনেক।
মডার্ণ চিকিৎসক হিসেবে তাদের জন্য ডেভিডসন আর একজন হোমিওপ্যাথ হিসেবে আপনার জন্য অর্গানন।
তবে, আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ জানলে আপনি আরো এডভান্সড হতে পারবেন, তাই পড়ার বিকল্প নাই হেতু যে কোন প্যাথির বই আমি নিজেও পড়ি অন্যকেও পড়তে বলি কিন্তু দিন শেষে চিকিৎসা হবে, হোমিওপ্যাথি তে, অর্গানন এর সূত্রে।
#আমার চিকিৎসা অভিজ্ঞতা -
এজমা হাঁপানি কোল্ড এলার্জি - ১ম মাস থেকেই উপশম হতে থাকে। ৬- ১০ মাসে সম্পূর্ণ আরোগ্য। নেবুলাইজার ইনহেলার আর দিতে হয় না। করোনায় ৮০% ফুসফুস স্ক্র্যাচ আমার সবগুলো রোগী বেচে আছে সুস্থ আছে।
যোগাযোগঃ
----------------------------------------------------------
হোমিওপ্যাথ ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন মাসুদ
( ফুলটাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ রিসার্চার রাইটার )
অব্যর্থ হোমিও
সুফিয়া বেকারি মোড়
দক্ষিণ রাজাশন
সাভার, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৭১১-২০১০১৮, 01711201018
https://web.facebook.com/ObarthoHomeo
https://www.allmedicin.com/obarthohomeo
https://allmedicin.com/article_am.php
https://youtube.com/@allmedicin6069
https://youtube.com/@drjakirhossainmashud
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp