[ আর্টিকেলটি পড়া হয়েছে 68 বার ]
Category : Homeopathy,
মেথড প্রসংগ
আপনাদের প্রশ্নে
আমার উত্তর
+++++++++++++++++
ইনবক্সে, প্রায়ই বিভিন্ন মেথড নিয়ে আর হোমিও চিকিৎসা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করেন।
একজন DHMS ভাই,
বর্তমান হোমিওপ্যাথির মেথড নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন।
ওনাকে এ বিষয়ে যে উত্তর দিয়েছি, তা সকলের অবগতির জন্য দেয়া হল।
প্রশ্ন অনেক জটিল, কিন্তু এর উত্তর অনেক সহজ।
# শুরুতেই একটা বিষয় বলি,
আমাদের সংবিধান আল কোরান এর অর্থ আমরা কেউই পড়ি না। এর ফলে, এতে কি বলেছে, আমরা জানিনা বা জানার চেষ্টা করি না। আমরা আমাদের কোন সমস্যা হলেই, মুফতি সাহেব থেকে ফতোয়া নেই।
এখন কথা হল, মুফতি সাহেব আল কোরান কতটুকু ব্রেনে ধরে রাখতে পেরেছে। তিনি যদি পুরোটা আয়ত্বে আনতে পারেন তবে তার থেকে সঠিক উত্তর পাবেন। আর যদি না পারে তাহলে মুফতি সাহেব আপনাকে ভুল উত্তর দিবেন।
কারণ, সেও মানুষ। তার সীমাবদ্ধতা আছে। তারো ভুল হতে পারে। এই বিষয়টা আমরা কেউ দেখছি না। বরং, সবাই যার যার পীর সাহেব কে সঠিক আর বাকিদের ভুল সাব্যস্ত করে, আজ মুসলিম উম্মাহ নানা মাজহাবে বিভক্ত। অথচ, রাসুল সঃ এর ইসলাম প্রতিষ্ঠার ২০০ - ৫০০ বছরে কোন মাঝহাব ছিল না।
আলকোরান সঠিকভাবে না পড়ে, আজ মুসলিম উম্মাহ একে অপরকে ভুল বলতে বলতে নানা মাজহাবে বিভক্ত হয়েছে, ভবিষ্যতে আরো হবে। কেয়ামত পর্যন্ত ৭০ বা ৭০ হাজার দল হবে।
আমরা যদি নিজেরা আল কোরানের অনুবাদ পড়ে জীবন যাপন করি, তাহলে পৃথিবীর মধ্যে ভারত বাংলাদেশের পুঁজি বিহীন একমাত্র সফল পীর ব্যবসা ফ্লপ হয়ে যেত।
বিদ্রঃ আল কোরানের সার্চেবল অনুবাদ নিয়ে কাজ করছি। আমার সাইট থেকে দেখে নিবেন।
+++++++++++++++++
এবার মূল প্রসঙ্গে
+++++++++++++++++
# আমাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার মূল অস্ত্র হল, মেটেরিয়া মেডিকা আর অস্ত্র চালানোর গাইড হল, অর্গানন।
আমাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক সারা বছর চেম্বারে শিশুর চিকিৎসা দেয়, যে শিশু কথা বলতে পারে না। যে রোগীলিপির তথ্য দিতে পারে না।
অথচ নিজের বা পরিবারের চিকিৎসায় সব এন্টিবায়োটিক খায় আর হাসপাতালে ভর্তি।
বাস্তবে, এলোপ্যাথি ফেরত রোগী হোমিওপ্যাথি তে আরোগ্য হলে, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক কেন হোমিওপ্যাথি তে আরোগ্য হচ্ছে না।
প্রবীন চিকিৎসক বলেন, যে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক যত দ্রুত জ্বর আর চর্মরোগ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে সে তত দক্ষ চিকিৎসক। অথচ, আমাদের হোমিও চিকিৎসক নিজেদের জ্বর নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়ে এন্টিবায়োটিক সেবন করে।
অল্প কয়েকজন বাদে, বেশিরভাগ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ডুয়েল পেশায় থেকে, কিছু বাড়তি কামাই এর জন্য সন্ধ্যায় চেম্বার করে। অথবা, শেষ বয়সে মগজ কাজ করে না বলে যখন রিটায়ার্ড হয়, তখন আসে, কিছু কামাই করতে।
গ্রামের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক সারাদিন ক্ষেত নিরানি দিয়ে সন্ধ্যায় চেম্বার করে। আর শহরের চিকিৎসক অন্য পেশায় মগজ শেষ করে পারিবারিক চিকিৎসা নামের চটি বই নিয়ে সন্ধ্যায় চেম্বার করে। প্যাটেন্ট কোম্পানি বেঁচে আছে এদের আশীর্বাদ পেয়ে এদের আশ্রয় করে।
আসলে, আমাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক গণ, এত বড় বিশাল মেটেরিয়া মেডিকা আয়ত্বে আনতে না পেরে, একেকজন একেকভাবে নিজেকে ডেভেলপ করে নিয়েছেন।
এরই ধারাবাহিকতায়, শ্যামল মেথড, মাইন্ড মেথড ইত্যাদি আবিষ্কার হয়েছে। প্রচলিত হচ্ছে। কেউ সমর্থন করে কেউ করে না। আবার এক পক্ষ আরেক পক্ষকে বিপথগামী বলে, এবং নিজেদের সেরা বলে থাকে।
বাস্তবে নিরপেক্ষ কথা হল, কোন মেথড পরিপূর্ণ নয়।সকল মেথডেই সীমাবদ্ধতা আছে।
কারণ, এই মেথডগুলো হ্যানিম্যানের ড্রাগ-পিকচার কে কাভারেজ না দিয়ে হোমিওপ্যাথির একটি নির্দিষ্ট শাখা নিয়ে গবেষণা করে আলাদা হয়ে গেছে।
মাইন্ড মেথডে শুধু মাইন্ড নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে, দেহ বাদ পড়েছে।
আবার শ্যামল মেথড ক্রোণিক ডিজিজ নিয়ে আলাদা হয়ে গেছে। একিউট ডিজিজে শ্যামল মেথড এর আলোচনা কম।
আসল মেথড হল, হ্যানিম্যানের ড্রাগ-পিকচার মেথড।
এই মেথডে চিকিৎসা করতে হলে, আপনাকে মেটেরিয়া মেডিকা আয়ত্বে আনতে হবে। এর কোন বিকল্প নাই।
# তিনি জানতে চেয়েছেন, শ্যামল কুমার, হাসান মির্জা ওনাদের M, CM ডোজ নিয়ে।
আমাদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের ব্যর্থতার মুল কারণ সঠিক ও উপযুক্ত শক্তি নির্বাচন করতে না পারা। এ বিষয়ে আগেকার কোন চিকিৎসক কোন মেটেরিয়া মেডিকা বা প্র্যাক্টিস অব মেডিসিন বইয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন নাই।
# শক্তি নির্বাচন কিভাবে করতে হয়?
রোগ শক্তি থেকে ঔষধ শক্তি বেশি হতে হবে।
যেমন আপনি কোন রোগজ শক্তির বিরুদ্ধে ঔষধ দিবেন। উক্ত রোগের শক্তি ২০০ হলে,
আপনি ৩০ শক্তি দিলে সেটা আরোগ্য হবে না।
আবার ১এম দিলে রোগ ভালো হয়ে কৃত্রিম বৃদ্ধি ঘটাবে, যাকে বলে ঔষধজাত বৃদ্ধি।
তাহলে, আপনাকে ২০০ শক্তি দিতে হবে।
এখন কথা হল, কোন রোগের শক্ত কত?
জ্বরের রোগজ শক্তি কত?
আমরা কেউই জানি না।
এভাবে প্রতিটি লক্ষণের রোগজ শক্তি আমাদের জানা দরকার উপযুক্ত শক্তির ঔষধ দেয়ার জন্য।
অতীতে, হাসান মির্জা, বা অন্যান্যরা যে উচ্চশক্তি ব্যবহার করেছেন, সেটা তাদের অভিজ্ঞতা থেকে।
*** তারা তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শক্তি নির্বাচন করেছেন।
# শ্যামল কুমার এর জেনেটিক নিয়ে প্রশ্ন করেছেন,
বাবা মায়ের বা রক্ত সম্পর্কীয় কারো যে রোগ থাকে, সেটা বংশধরদের মধ্যে প্রবাহিত হয়।
এটা সকল প্যাথিতেই প্রমাণিত।
কিন্তু অন্য প্যাথিরা এখান থেকে বেরোতে পারে নাই। বা এর চিকিৎসা দিতে পারছে না।
অপরদিকে হোমিওপ্যাথি তে এটা সফলতা পেয়েছে।
যেমন
আপনার বাবার এজমা আছে
আপনিও এজমা বহন করছেন।
এমতাবস্থায় আপনি যদি, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে আরোগ্য না হয়ে বাচ্চা নেন, তবে, সে বাচ্চা এজমা রোগের ধারক ও বাহক হচ্ছে। অসুস্থ জেনেটিক প্রবাহের মাধ্যমে।
আর, আপনি যদি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাচ্চা নেন, তাহলে, আপনার বাচ্চার মধ্যে এজমা থাকবে না। বা থাকার সম্ভাবনা কম।
এটা যদি শ্যামল কুমার বা অন্য কেউ বলে থাকেও, এটা তাদের নিজেদের থিওরি নয়। হ্যানিম্যান ক্রোণিক ডিজিজ নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে এটা আবিষ্কার করেছেন।
তাই বংশগত বা জেনেটিক ডিজিজ এর জন্য আমি হ্যানিম্যান কেই ক্রেডিট দিব।
আর কে কি বলল। সেটা আমার কাছে মূল্যহীন।
এই থিওরি তে আমার চেম্বারে বাস্তবে এজমা হাঁপানি মাত্র কয়েক মাসে নির্মূল হবার সফলতা পাচ্ছি।
# আমি মাইন্ড মেথড, শ্যামল মেথড, সবার বই পড়ে দেখেছি। এবং তাদের গবেষণার নির্যাস আমি নিয়ে নিয়েছি। আমি কোন গবেষণা কে অস্বীকার করি না। আমি গবেষণা থেকে মুল নির্যাস নিয়ে নেই, কিন্তু কখনোই অন্ধভাবে কোন মেথড আমি ফলো করি না।
আমি হ্যানিম্যান এর ড্রাগ পিকচার মেথড অনুসরণ করি।
আর এই মেথডে চিকিৎসা করার অস্ত্র হল, মেটেরিয়া মেডিকা আয়ত্বে আনা। যা হিউম্যান ব্রেনে অসম্ভব। আর তাই এর সফটওয়্যার বানিয়ে নিয়েছি।
# মেথডের গোড়া পত্তন
মাইন্ড মেথড বেড়ে উঠেছে, হ্যানিম্যানের একটি সূত্রকে ভিত্তি করে। আর সেটা হল, হোমিও ঔষধ দেহের আগে মনে এফেক্ট করে।
মেটেরিয়া মেডিকা প্রুভিং এ মনের পরিবর্তন আগে লিখা হয়।
প্রতিটি মেটেরিয়া মেডিকা তে প্রথম সেকশন মন।
হোমিওপ্যাথি ঔষধ সেবনে আগে মানসিক পরিবর্তন আসে। হোমিওপ্যাথি ঔষধ মনের স্তরে আগে কাজ করে।
ড্রাগ-পিকচার মেথডে মন এর স্থান আগে রেখেছে হ্যানিম্যান।
১৯৯০ সালে মাইন্ড মেথড যাত্রা শুরু করে মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে। সে সময় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক মনের গুরুত্ব না দিয়ে শুধু আংগিক লক্ষণের চিকিৎসা করতেন। তখন হোমিও চিকিৎসায় মন লক্ষণের গুরুত্ব বুঝাতে শুরু হয় মাইন্ড মেথডের প্রচারণা। দুখের বিষয় হল, তারা এখন সেই রাস্তা থেকে বিচ্যুত হয়ে, আংগিক লক্ষণ বাদ দিয়ে ১৯৯০ সালের চিকিৎসক দের উলটা পথে হাটছেন। ১৯৯০ সালে চিকিৎসক রা মন বাদ দিয়ে আংগিক চিকিৎসা দিত। এখন মাইন্ড মেথডে আংগিক বাদ দিয়ে শুধু মনের চিকিৎসা দিচ্ছে।
টাকা যেখানে থাকবে, মানুষ আদর্শ থেকে চ্যুত হবে এটাই স্বাভাবিক। তারা এখন এই মেথড শিখিয়ে কোটি টাকা আয় করছে। যাইহোক এ নিয়ে কথা বলা উদ্দেশ্য নয়, তাই এদিকে না যাই।
যাইহোক, বর্তমান মাইন্ড মেথড মুলত আংগিক লক্ষণ বাদ দিয়ে, মন, মনের স্তর, মনোলক্ষণ, ইত্যাদি মন বিষয়ক গবেষণা করে আলাদাভাবে নিজেদের ডেভেলপ করছে।
মাইন্ড মেথডের অনুসারী কেউ তর্ক করতে আসার আগে, ফাটকের মেটেরিয়া মেডিকা পড়ে আসবেন।
আরো আছে, ক্লার্ক, হেরিং, এলেন এর মেটেরিয়া মেডিকা।
+++++++
শ্যামল মেথড আরেক সূত্রকে ভিত্তি করে হয়েছে। সেটা হল, হ্যানিম্যানের ক্রোণিক ডিজিজ এর সূত্র।
শ্যামল মেথডের কেউ তর্ক করার আগে, ক্রোণিক ডিজিজ এর বইগুলো পড়ে আসবেন।
আপনি যদি হ্যানিম্যানের বইগুলো ঠিকমত পড়ে থাকেন। তাহলে নতুন কোন মেথড আপনার কাছে গ্রহনযোগ্য হবে না। আর যদি আপনি না পড়ে থাকেন। তখন এদেরকে মধু মনে হবে। আর এদের গুরুকে হ্যানিম্যান থেকেও বড় মনে হবে।
সূতরাং এসকল মেথডের এত ফলোয়ার হবার কারণ একটাই, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক রা লেখাপড়া না করে শর্টকাট করে সফলতা চায়। আর এটাকে পুজি করে এই মেথডগুলো এগিয়ে চলছে।
# শেষ গল্প,
MY Active Book নামে একটা ইংরেজি বই ছিল। বিদেশি বইয়ের অনুকরণে। আমার আম্মু আমাকে ছোটবেলায় সেই বইটা কম্পলিট করায়। ফলে আমার ইংরেজি বেজমেন্ট ভালো ছিল। SSC তে ইংরেজি রচনা কমন পড়ে নাই। পড়ে গেছি নিউজপেপার আসছে পেপার। যাই হোক, সেদিন পরীক্ষার হলে, আমার ক্লাসের অনেকে কান্না করেছে এবং ফেল করেছে। আমি অনেক আগে বাংলায় কাগজ রচনা একবার পড়েছিলাম। সেটাকেই ইংরেজি অনুবাদ করে লিখে দিয়ে আসি। এবং পাশ করি ভালোভাবে।
তো ২০০০ সালের পরের দিকে হঠাৎ করে FM মেথড স্পোকেন কোচিং জগতে খুব আলোড়ন তৈরি করে।
তো আমি একদিন বিটিবিতে প্রচারিত সেই মেথডের ক্লাস পুরোটা দেখলাম।
দেখার পর, আমি তো অবাক।
শালা, ফিরোজ মুকুল, আমার ছোট বেলার সেই My Active Book এর মেথড কে নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছে। আর সে সময় অই বইয়ের প্রচলন না থাকায়, যারা অই বই পড়েনি মুলত তাদের কাছে, FM মেথড ভালো ব্যবসা করে।
# সারমর্ম হল --
বর্তমানে হোমিওপ্যাথিতে চিকিৎসক দের বড় অংশ ডুয়েল পেশায় থেকে লেখাপড়া বা গবেষণা না করে শর্টকাট খুঁজে। হ্যানিম্যানের বই না পড়ে, সবাই নানা মেথডে সাফল্য চায়।
ফলাফল হিসেবে, বর্তমানে দেখবেন, একজন হোমিও চিকিৎসক আরেকজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক থেকে চিকিৎসা না নিয়ে বরং এন্টিবায়োটিক সেবন বা হাসপাতালে ভর্তি বা ভারতে গিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। কেউই কাউকে বিশ্বাস করে না। একজন আরেকজনকে ভুয়া বলে থাকে।
প্রচলিত জটিল রোগে, আমাদের হোমিওপ্যাথি কলেজের কোন শিক্ষকের বা যারা কোচিং করায় তাদের কোন রিসার্চ নাই।
করোনার সময় দেখেছিলাম, অনলাইন ক্লাসে আলোচনা হচ্ছে, মেয়েদের সাদাস্রাব এর চিকিৎসা নিয়ে। কারণ কি? এ সময় দরকার ছিল করোনায় হোমিওপ্যাথির সাফল্য নিয়ে আলোচনা। তা না বরং এরা এগুলো সমর্থন করে নি। পরে যখন, ভারতের আয়ুষ থেকে আর্সেনিকের নাম দেয়া হল, তখন সবাই আবার করোনার চিকিৎসক হয়ে গেলেন। ধার করা বিদ্যা ছাড়া নিজের মগজ চলে না।
কারণ, শর্টকাট খুঁজতে গিয়ে, সবাই এখন তলা ছাড়া ঝুড়ি হয়ে যাচ্ছে।
এরপরেও কেউ যদি একটু রিসার্চ করে,
তাকে সাপোর্ট এর বদলে, নেগেটিভ মন্তব্য শুরু হয়ে যায়। এ জন্যই বলি এদেশে নতুন আরেকটা কেন্ট ভিথুলসকাস জন্মাবেনা। কারণ, আমরাই অকে গলা টিপে মেরে ফেলব।
পরিশেষে আবারও বলছি,
আমি কোন গবেষণা কে অস্বীকার করি না। আমি গবেষণা থেকে মুল নির্যাস নিয়ে নেই, কিন্তু কখনোই অন্ধভাবে কোন মেথড আমি ফলো করি না।
আমি হ্যানিম্যান এর ড্রাগ পিকচার মেথড অনুসরণ করি।
ড্রাগ-পিকচার মেথডের মধ্যে মাইন্ড মেথড শ্যামল মেথড সহ ভবিষ্যতে যত মেথড আসবে সকল মেথড ঢুকানো আছে।
আপনাকে হ্যানিম্যান ও পরবর্তী অগ্রজদের বইগুলো পড়ে বাস্তবিক রোগীতে প্রয়োগ করে অনুধাবন করতে হবে।
# তাহলে, এসকল মেথড এর প্রয়োজনীয়তা কি ?
কোন মেথড কখনোই আপনাকে বলে নাই, যে হ্যানিম্যানের মেথড ছেড়ে অন্য মেথড আকড়ে ধরেন।
বরং সকল মেথডের কথা হল, আপনি যদি হ্যানিম্যানের মেথড আয়ত্বে আনতে না পারেন, সে ক্ষেত্রে দরকার মনে হলে, এই সকল মেথড প্রয়োগ করতে পারেন।
আমরা এই কথাটা না বুঝে, অন্ধভাবে একটি মেথডকে আকড়ে ধরে রাখি। এখানে ভুল আমাদের।
যেখানে যা পাবেন সব শিখবেন। এরপর, নিজের রোগ ও রোগীর প্রয়োজন ভেদে প্রয়োগ করবেন।
আপনাকে, বন্দুক, রাইফেল, মিসাইল সব দেয়া আছে। প্রয়োজন ভেদে সঠিক ও উপযুক্ত অস্ত্রটি আপনাকে বেছে নিতে হবে।
# এবার আসেন, ড্রাগ-পিকচার মেথড কি?
এই পোস্টে নেগেটিভ মন্তব্য করার আগে, এই প্রশ্নের উত্তর দিবেন এরপর, নেগেটিভ মন্তব্য করবেন।
আর জানা না থাকলে অপেক্ষা করেন। ড্রাগ-পিকচার নিয়ে লিখব।
+++++++++++++++++++
লেখক -
হোমিওপ্যাথ ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন মাসুদ
( ফুলটাইম ডেডিকেটেড প্রফেশনাল হোমিওপ্যাথ রিসার্চার রাইটার )
অব্যর্থ হোমিও
সুফিয়া বেকারি মোড়
দক্ষিণ রাজাশন
সাভার, ঢাকা
মোবাইলঃ ০১৭১১-২০১০১৮, 01711201018
আমাকে ফলো করতে পারেনঃ
ফেসবুকে --
https://web.facebook.com/ObarthoHomeo
ওয়েবসাইটে --
https://www.allmedicin.com/obarthohomeo
এমন আরো লিখা পেতে ভিজিট করুন--
https://allmedicin.com/article_am.php
01711201018 Bkash এ 2050 Taka সার্ভিস চার্জ ( ভিজিটিং ফী, ২৪ ঘন্টা সার্বক্ষণিক অনলাইন সাপোর্ট সার্ভিস, হট লাইন সাপোর্ট সার্ভিস ) বাবদ পে করে 01711201018 WhatsApp এ মেসেজ দিন। আপনার অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট এর জন্য সকল রিপোর্ট এর ছবি দিন। কোন টেস্ট দরকার হলে করতে দেয়া হবে। এরপর সকল রিপোর্ট সহ সরাসরি চেম্বারে বা অনলাইনে রোগী দেখান। কুরিয়ারে ঔষধ পাঠিয়ে দেয়া হবে।
সার্ভিস চার্জ শুধু মাত্র ১ বার নেয়া হয়। ঔষধ খরচ আলাদা।
সরাসরি চেম্বারঃ অব্যর্থ হোমিও, সুফিয়া বেকারি মোড়, সাভার, ঢাকা।
অনলাইন চেম্বারঃ 01711201018 WhatsApp